নবী করীম (স.) ফরমানঃ যে ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা বাকারার শেষ ৩ আয়াত এবং সূরা আলে ইমরানের ১৮, ২৬ ও ২৭ নং আয়াত পাঠ করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার ঠিকানা জান্নাত করে দিবেন এবং তাঁর সকাশে স্থান দিবেন। আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতি দৈনিক ৭০ বার রহমতের নযর দিবেন, দৈনিক ৭০টি প্রয়োজন মিটাবেন। শত্রুর বিরুদ্ধে জয়ী করবেন। শত্রুর কবল থেকে আশ্রয় দিবেন। (মা‘আরিফুল কুরআন—১৭১)
যে ব্যক্তি সূরা তওবার শেষ দুই আয়াত প্রত্যেক ফরয নামাযের পর ৭ বার এবং প্রতিদিন ৪১ বার পাঠ করবে স্বপ্নে সে নবীজীর যিয়ারত লাভ করবে। আয়াতদ্বয় হচ্ছে:
সূরা হাশরের সর্বশেষ তিন আয়াতের ফযীলত: তিরমিযী শরীফে হযরত মা’কাল ইবনে ইয়াসার (রা.) এর বর্ণিত রেওয়াতে রাসূলুল্লাহ (স.) বলেন: যে ব্যক্তি সকালে তিন বার اَعُوْذُ بِاللهِ السَّمِيْعِ الْعَلِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ পাঠ করার পর সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য ৭০ হাজার ফিরিশতা নিযুক্ত করে দিবেন। তারা সন্ধ্যা পর্যন্ত তার জন্য রহমতের দু‘আ করবে। সে দিন সে মারা গেলে শহীদের মৃত্যু হাসিল হবে। যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় এভাবে পাঠ করবে, সেও এই মর্তবা লাভ করবে। (মাযহারী)

0 মন্তব্যসমূহ